সব
ঢাকা Translate Bangla Font Problem

একুশে বইমেলায় ‘সুব্রত পাল’ এর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস “রঙ বদল”

AUTHOR: Amarbangla Desk
POSTED: Monday 24th February 2020at 7:54 am
598 Views

শেখ রাসেল : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ করার সাথে সাথেই একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানীতে যােগদান করা একজন মেধাবী, স্মার্ট, রুচিশীল ও চৌকস যুবক হিমেলের সাথে আকস্মিক ভাবে পরিচয় ঘটে সদ্য এইচ এস সি পাশ করা নব যৌবন প্রাপ্ত আকর্ষণীয় মেয়ে কান্তার। সেখান থেকেই দুজনের মধ্যে গভীর প্রেম, কাউকে না জানিয়ে গােপনে বিয়ে করা, কান্তার জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া, লুকিয়ে লুকিয়ে দুবছর সংসার পাতা এবং প্রচন্ড রােমান্টিকতার মধ্যে সময় অতিবাহিত করা।

একদিন হঠাৎ বিষয়টি কান্তার মায়ের নিকট ধরা পড়ায় কান্তার ওপর চরম অত্যাচার শুরু এবং হিমেলকে ত্যাগ করার জন্য কান্তার ওপর অব্যাহতভাবে চাপ প্রয়ােগ।

ঘটনার পারিপার্শ্বিকতায় এক সময় দুজনের মধ্যে ভুল বােঝাবুঝির সূত্রপাত। এমন এক টালমাটাল সময়ে হিমেলের জীবনে তার প্রথম ভাললাগার পাত্রী নিতির আকষ্মিক আগমন, পূর্বের প্রেমময় স্মৃতি নাড়া দিয়ে ওঠা, নতুনভাবে উভয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠা, কান্তার সঙ্গে বিচ্ছেদ। পরিশেষে, উভয় পরিবারের সম্মতির প্রেক্ষিতে নিতি ও হিমেলের সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত গড়ানাে- এ সব মিলে অন্যরকম এক ভালােসার উপন্যাস ‘রঙ বদল।

লেখক সুব্রত পালের জন্ম: ২৭ ডিসেম্বর, জন্মস্থান: গুরুদাসপুর, নাটোর। তার পিতা: সত্যরঞ্জন পাল ও মাতা: বিজলী পাল। স্থায়ী ঠিকানা: গুরুদাসপুর, নাটোর।

শৈশব কেটেছে গুরুদাসপুর উপজেলা সদরে । গুরুদাসপুর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার পড়াশুনা শুরু হয়। এরপর শুরুদাসপুর সরকারি মডেল পাইলট হাই স্কুলে, পড়াশুনা চলাকালীন তার লেখালেখি শুরু। তিনি সে সময় থেকেই ছড়া ও কবিতা লিখতেন। নবম শ্রেণিতে পড়াকালীন তিনি “দুঃখীর বেদনা” (অপ্রকাশিত) নামক একটি উপন্যাস লিখেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে | রসায়ন শাস্ত্রে পড়াশুনা করেন। এম.এস-সি পাশের পর তিনি প্রথমে প্রাণ-আর এফ এল গ্রুপে ও পরবর্তীতে স্কয়ার গ্রুপে চাকুরী করেন। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসার হিসেবে একবছর ও বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে দু’বছর চাকুরী করেন। পরবর্তীতে বিসিএস (ইকনমিক)| ক্যাডারে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে দুবছর চাকুরী করার পর। ২০০৫ সালে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে যােগদান করেন।

চাকুরীকালীন তিনি বিভিন্ন পর্যায়ে সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে উপসচিব হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্তির পর তিনি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নারায়ণগঞ্জ। জেলা পরিষদে যােগদান করেন। তিনি থাইল্যান্ডের চেং মাই বিশ্ববিদ্যালয়েও ডেভলপমেন্ট স্টাজিস এ পড়াশুনা করেন।
বর্তমানে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি শিক্ষা, অধীদপ্তরাধীন ৬৪ টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের সক্ষমতা | বৃদ্ধি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি বাংলাদেশ বেতার ও টিভির একজন নিয়মিত গীতিকার। “অনুভবে ভালবাম” তার প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ এবং “রঙ বদল” তার প্রথম উপন্যাস।


সর্বশেষ খবর